বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিকগুলো এবং প্রবাস থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন কাগজে সাহিত্য সমাবেশের খবরাখবর ছাপানো হচ্ছে। প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা শাখায় নীচের খবরটি ছাপা হয়েছে এপ্রিলের সাত তারিখে। https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1587392/আটলান্টায়-বিশ্ব-বাংলা-সাহিত্য-সমাবেশ-শুরু-৩১-আগস্ট
বিশ্ব বাংলা সাহিত্য সমাবেশ, ২০১৯-এর ষষ্ঠ ফোন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় গত আট (০৮) এপ্রিল (April) , ২০১৯ রোববার, নিউইয়র্ক সময় সন্ধ্যা সাতটায়। দু’ঘণ্টা ধরে চলা আলোচনায় অংশ নেন ডেনভার থেকে জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত ও পূরবী বসু, আটলাণ্টা থেকে হারুন রশিদ, আশফাক… Continue Reading →
প্রথম বিশ্ব বাংলা সাহিত্য সমাবেশের স্বাগতিক সংগঠনের দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেটের আটলাণ্টা শহরের সুপরিচিত সাহিত্যসেবী সংগঠন সেবা লাইব্রেরী। সেবা লাইব্রেরীর অগ্রনী সংগঠক হারুন রশিদ ইতোমধ্যে আটলাণ্টার উপকণ্ঠে অবস্থিত লিলবার্ণের বার্কমার উচ্চ বিদ্যালয়কে সমাবেশস্থল হিসেবে চুক্তিবদ্ধ করেছেন।… Continue Reading →
বিশ্ববাংলা সাহিত্য সমাবেশ ২০১৯ এর জন্যে একটি শ্লোগান নির্ধারণ করার জন্যে সংগঠনের উদ্যোক্তাদের কাছে পছন্দের স্লোগান আহবান করে চিঠি পাঠানো হয়। উত্তরে নিচে উল্লেখিত স্লোগানগুলো জমা পড়ে। প্রস্তাবিত স্লোগানসমূহ ১। বাংলায় লিখি বাংলার কথা ২। বাংলার কথা বাংলায় লিখি ৩।… Continue Reading →
বিশ্ব বাংলা সাহিত্য সমাবেশ এবং সমাবেশের উদ্যোক্তা উত্তর আমেরিকা বাংলা সাহিত্য পরিষদের জন্য দৃষ্টিননন্দন দুটো লোগো ডিজাইন করেছেন নিউইয়র্ক নিবাসী চারুশিল্পী, গায়ক, লেখক তাজুল ইমাম। তাজুল ইমামের আঁকা একাধিক লোগোর মধ্য থেকে সাহিত্য পরিষদের সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে বাছাই করা হয়… Continue Reading →
বিশ্ব বাংলা সাহিত্য সমাবেশের তথ্যাবলী প্রচার ও তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে একটি মিডিয়া কিট প্রস্তুত করেছেন আটলাণ্টা নিবাসী লেখক, কলামিস্ট আশফাক স্বপন। আশফাক স্বপনকে এই কাজে সহযোগিতা করেন সাহিত্য পরিষদের উদ্যোক্তা সংগঠক পূরবী বসু।
বিশ্ব বাংলা সাহিত্য সমাবেশের জন্য একটি ফেসবুক পাতা চালু করা হয়েছে। আটলাণ্টা নিবাসী তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা, সম্পাদক, সংগঠক শুভঙ্কর নাথের উদ্যোগে খোলা এই ফেসবুক পাতায় ইতোমধ্যে প্রায় দু’শ সদস্য যোগ দিয়েছেন। সদস্য সংগ্রহে অগ্রনী ভূমিকা রেখেছেন ডেনভার নিবাসী কথাসাহিত্যিক পূরবী বসু।… Continue Reading →
© 2025 — Powered by WordPress
Theme by Anders Noren — Up ↑